জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল নাহারের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২৩, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ


জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ও কাউন্সিলার কামাল হোসেন কর্তৃক বিভিন্নভাবে হয়রানীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয় । মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জগন্নাথপুর পৌর শহরের জগন্নাথপুর সি/এ মার্কেটস্থ কামাল এন্ড আকমল কমপ্লেক্স এর স্বত্ত্বাধিকারী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল নাহার।সে মৃত আরব আলীর ছেলে । সংবাদ সম্মেলনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইকবাল খান।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন ২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারী রোজ সোমবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের সময় পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন কোন ধরনের নোটিশ না দিয়ে জোর পূর্বক মেয়র সহ ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার কামাল হোসেন লোকজন নিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে থাকা ৩টি পাকা পিলার ভেঙ্গে মালামাল নিয়ে যায়। এবং বাসার কাজের শ্রমিকদের নিমার্ণ কাজের যন্ত্রাংশ নিয়ে যায় এবং কাউন্সিলার কামাল হোসেন আমাকে প্রানে হত্যা সহ বাসায় স্থাপিত সিসি ক্যামেরা ভাংচুরের হুমকি দেয়। তিনি আরো উল্লেখ করেন, পৌরসভা কর্তৃক তার মালিকানাধীন ভূমির উপর জোর পূর্বক ড্রেইন নিমার্ণ করতে চাইলে তিনি ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর আদালত কাজ না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তড়িঘড়ি করে দিন রাতে কাজ করেন। ২০২২ সালের ১১ মে আদালত একতরফা আব্দুল নাহারের পক্ষে রায় প্রদান করেন। ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১টায় মেয়র আক্তার হোসেনের নির্দেশে কাউন্সিলার কৃঞ্চ চন্দকে দিয়ে ড্রেনের স্টীলের ১০টি স্লেপ ও ৬০ ফুট লম্বা নেট তুলে নেয় এবং ১০মাস পর আমার তিনটি পাকা পিলার ভেঙ্গে ফেলে। যা তার বাসার সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত রয়েছে। এ ঘটনায় কাউন্সিলার কৃঞ্চচন্দ্র চন্দকে আসামী করে আদালতে মামলা করা হলে মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল নাহার উল্লেখ করেন, তিনি তার বাসার তৃতীয় তলায় ছাদ ঢালাই কাজ করার জন্য তিন বার মেয়র মহোদয়ের নিকট আবেদন করা হলে আবেদনটি গ্রহন না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন। তখন নিরুপায় হয়ে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবরে আবেদন করি। জেলা প্রশাসক অনুমতি প্রদানের জন্য মেয়র আক্তার হোসেন কে নির্দেশ দেন।আদালতের নির্দেশের পরও মেয়র অনুমতি দেননি। এছাড়া ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয়ের সুপারিশকৃত কপিটি পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট নিয়ে গেলেও তাতেও কাজ হয়নি। ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক আবেদনটি পূনরায় পৌর মেয়র বরাবরে প্রেরণ করলেও কাজে আসেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, বর্তমানে পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ও কাউন্সিলার কামাল হোসেন কর্তৃক বিভিন্নভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। তিনি তাদের হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সু- দৃষ্টি কামনা করছেন।