সিলেট বিমানবন্দরে যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা আনিসুজ্জামান আজাদ সংবর্ধিত

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

ছাতক প্রতিনিধিঃ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের তুখোড় ছাত্রনেতা, সিলেট ল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস, যুক্তরাজ্য যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ছাতক-দোয়ারা আওয়ামীলীগ এর নন্দিত মুখ, সাবেক ছাত্রনেতা আনিসুজ্জামান আজাদ যুক্তরাজ্য থেকে তিন মাসের সফরে দেশে এসেছেন। আজ (২১জানুয়ারি) শনিবার সকাল ১১ টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে সাবেক ছাত্রনেতা আনিসুজ্জামান আজাদকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আনন্দঘন ওই সংবর্ধনায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ফজলুর রহমান, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া, সিলেট সিটি করপোরেশনের কমিশনার ইলিয়াছুর রহমান, ছাতক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপি বেগম, ছাতক ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদের প্রথম ভিপি সফিকুল ইসলাম বাবুল, ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামাজন, দোয়ারা উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি শামসুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও ছাতক উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সহিদ মুহিত, সিলেট ল কলেজ এর সাবেক ভিপি এড. সামসুল ইসলাম, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা কামাল আহমদ রিংকু, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাহাত তরফদার, সাবেক ছাত্রনেতা সামসুল ইসলাম মিলন ও বেলাল খান, ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এড. ছায়াদুর রহমান ছায়াদ,সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ রিপন, বৃটিশ লোকাল কাউন্সিল অফিসার আব্দুল নূর হুমায়ূন, ছাতক উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব এমএ কাদির, আওয়ামীলীগ নেতা আছকির আলী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী শহীদুল হক সাহেদ, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম আজির, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ছুরাব আলী, সিলেট মহানগর ছাত্র লীগ এর সাবেক সদস্য আতিকুল ইসলাম আতিক,দোয়ারা বাজার উপজেলা ছাত্র লীগ নেতা নিউটন দাশ সয়ন, পাভেল আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্বনেতা শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার উৎস। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে তৃণমূলের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছিলেন। জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তার নির্বাসিত কন্যা শেখ হাসিনা সবচেয়ে খারাপ সময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বার বার মৃত্যুর দ্বার থেকে ফিরে এসেছেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করে যে অসম্ভব কাজটি সম্ভব করেছিলেন তা হলো জাতির পিতা ও তার পরিবারের হত্যাকারীদের বিচার এবং পরে ২০১০ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসেছেন। আর বাঙালি জাতির আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন নিরন্তর। তিনি বাংলাদেশের জনগণের সার্বিক কল্যাণ, বিকাশ এবং মুক্তির লক্ষ্যে অগ্রণী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন।

তিনি প্রমাণ করেছেন যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিকাশের জন্য তার বিকল্প নেই। তার সততা, নিষ্ঠা, যুক্তিবাদী মানসিকতা, দৃঢ়তা, মনোবল, প্রজ্ঞা এবং অসাধারণ নেতৃত্ব বাংলাদেশকে বিশ্ব অঙ্গনে এক ভিন্ন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। আওয়ামী লীগ সবসময় শোষণ, বঞ্চনা, অবিচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার, প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করে আসছে। এই দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনগণের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য কাজ করছে। এই দল ক্ষমতায় থাকলে জনগণের ভাগ্যের উন্নতি হয়।